দাবিতে রাজশাহীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় আন্দোলনকারী তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত। ঘটনার সময় পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।
বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে বেলা ১২টার দিক থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে সেখানে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালিত হচ্ছিল।
হামলায় আহত শিক্ষার্থীরা হলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলন, রাজশাহীর নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইশতিয়াক আহমেদ, নিউ গভমেন্ট ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাদিম সিনা।
শিক্ষার্থীরা জানান, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার বেলা ১২টার দিকে মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে অবস্থান নেন তারা।
এ সময় তারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রতীকী অনশন শুরু করেন। একপর্যায়ে পুলিশের সামনেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ছাত্রলীগ। তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মারধর করে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। পরে পুলিশ মারধর কারীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলন বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করছিলাম। এসময় ছাত্রলীগ এসে হামলা করলে কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়। কর্মসূচিতে ব্যবহৃত মাইক্রোফোনের তার দিয়ে আমাকে মারধর করেছে। পুলিশের সামনে এ হামলা হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এর প্রতিবাদে বিকেল ৫টায় রাজশাহী প্রেসক্লাবে সাংবাদ সম্মেলন করা হবে।
তবে এ হামলার ঘটনা অস্বীকার করেছেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম। তিনি বলেন, ছাত্রলীগের হামলার কথা মিথ্যা। নগর ছাত্রলীগের নেতারা ঢাকায় একটি কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে এসেছে। ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা ছড়ানো হচ্ছে।
জানতে চাইলে মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলেন, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই একদল যুবক এসে হামলা চালায়। তবে, সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। কারা এ হামলা চালিয়ে সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সূত্রে:banglanews24

